Wednesday, October 21, 2020
রাজশাহী

সিডিএম হাসপাতালে লাশ আটকিয়ে বাণিজ্য বন্ধ হচ্ছেনা !

217views

সিডিএম হাসপাতালে লাশ আটকিয়ে বাণিজ্য বন্ধ হচ্ছেনা !

নিজস্ব প্রতিবেদক; একের পর এক অপ্রিতিকর ঘটনার জন্মদিলেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না রাজশাহী নগরীর লক্ষীপুর এলাকায় অবস্থিত সিডিএম হাসপাতালে বিরুদ্ধে। মৃত রোগি আটকিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় সিডিএম হাসপাতালের রীতিমত ব্যবসা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেও মনে করছেন সাধারণ মানুষ। এতো ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ক্ষোভ বিরাজ করছে সব মহলেই। চলতি বছরেই এধরনের কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতালে ভাংচুর হয়েছে। তারপর প্রশাসন একেবারে নিরব ভুমিকা পালন করছেন। গত বৃহস্পতিবার সিডিএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আবারো মৃত রোগি আটকিয়ে টাকা আদায়ের ঘটনায় ভাংচুরে ঘটনা ঘটেছে। তারপরও সিডিএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। লাশ রেখে বাণিজ্য করা সিডিএম হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ক্ষোভ বাড়ছে রোগি ও অভিভাবকদের মাঝে। রোগির অভিভাবকদের প্রশ্ন, কেনো সিডিএম হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। আর কত পরিবার নি:স্ব হলে সিডিএমস হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে ? প্রশাসন কি তাদের কাছে জিম্মি। ঘটনার পর এধরনের হাজারো প্রশ্ন রোগি ও অভিভাবকদের। বৃহস্পতিবার সিডিএম হাসপাতালে মৃত রোগির নাম তোফাজ্জল হোসেন (৭০)। তিনি নগরীর রামচন্দ্রপুর বাশার রোড এলাকার মৃত ওমেদ আলীর ছেলে।

রোগীর ভগ্নিপতি আব্দুল বারি জানান, গত মঙ্গলবার শ্বাসকষ্ট জনিত কারণে তোফাজ্জল হোসেনকে সিডিএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তি করার পরই ডাক্তার তাকে আইসিইউতে নিতে বলে। আইসিইউতে থাকার পর বৃহস্পতিবার সকালে রোগীকে লাইফ সাপোর্টে নিতে বলে ডাক্তার। রোগীর অবস্থা কী জানতে চেয়ে ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি গোজামিলের আশ্রয় নেন। তিনি আরো জানান, আমরা রোগীকে বাড়ি নিয়ে যেতে চাইলে ডাক্তার এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে রোগীর সাথে দেখা করতে দেননি। সারাদিন অপেক্ষা করার পর তারা আমাদেরকে রাত সাড়ে ৯টার সময় রোগী নিয়ে যেতে বলে। রোগী নিয়ে যাওয়ার সময় দেখি সে নড়াচড়া করছেনা। ডাক্তার রোগীর মারা যাওয়ার বিষয়ে কিছু না জানিয়েই আমাদেরকে রোগী বুঝিয়ে দেয়। তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, মাঝে কোন চিকিৎসা ছাড়াই তারা আমাদের থেকে ৬৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। তবে এবিষয়ে অভিযুক্ত ডাক্তারের সাথে কথা বলা যায়নি। ঘটনার পর পুলিশ আসলে ডাক্তার পালিয়ে যায়। রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান হাফিজ জানান, এঘটনায় তারা কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Response