Saturday, October 24, 2020
সারাদেশ

রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে শিক্ষার্থীবান্ধব চেয়ারম্যান নিয়োগের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি

309views

রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে শিক্ষার্থীবান্ধব চেয়ারম্যান নিয়োগের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যান প্রফেসর আবুল কালাম আজাদের দূর্নীতি, দায়িত্ব অবহেলার তদন্ত ও সৎ-যোগ্য, কর্মঠ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীবান্ধব চেয়ারম্যান নিয়োগের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদ। বুধবার দুপুর ১২ টায় রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদ সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- রাজশাহী প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা কলামিস্ট প্রশান্ত কুমার সাহা, সেক্টর কমান্ডার ফোরাম মহানগর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলী বরজাহান, রাজশাহী প্রেসক্লাব সভাপতি ও আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদ সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান, রাজশাহী প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক আসলাম-উদ-দৌলা, জয়বাংলা পরিষদ আহ্বায়ক শফিকুজ্জামান শফিক, রাজশাহী প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক নূরে ইসলাম মিলন, রাজশাহী চেম্বারের সাবেক পরিচালক শফিউল আলম বুলু, সাংবাদিক কাজী রকিবউদ্দিন, আবু কাওসার মাখন, শামসুল আলম প্রমুখ। স্মারকলিপিতে বলা হয় অপনার সরকারই সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনবান্ধব করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

রাজশাহীর অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানেই তা দৃশ্যমান হলেও রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে এর বিপরীত চিত্র সমগ্র উত্তরাঞ্চলের মানুষকে হতাশ করেছে। এরমধ্যে ছয় তলাবিশিষ্ট শিক্ষাবোর্ড ভবনে লিফট স্থাপনের টাকা বর্তমান চেয়ারম্যানের অবহেলার কারণে তিন তিনবার ফেরত গেছে। যার বলি হয়েছেন দেশের প্রবীণ নাগরিক একজন সন্মানিত প্রধান শিক্ষক। প্রতিনিয়ত শিক্ষকরা তার দ্বারা অসন্মান-অমর্যাদার শিকার হচ্ছেন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তার সাথে সমস্যা নিয়ে দেখা করতে চাইলে তিনি তাদের গেট থেকেই ফিরিয়ে দেন। সবার সাথেই তিনি দুর্ব্যবহার করেন। মাসের ৩০ দিনের মধ্যে ২৫ দিনই অফিস করেন না।

সরকারী নিয়ম অনুযায়ী কোন সরকারী কর্মকর্তা ৩ বছরের অধিক সময় ডেপুটেশনে থাকতে পারেন না। কিন্তু রহস্যজনক কারণে বর্তমান চেয়ারম্যান সাড়ে ৪ বছরের অধিক সময় ধরে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে ডেপুটেশনে আছেন। তার বিরুদ্ধে সাড়ে ৪ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করছে। ওই তদন্তও অজানা কারণে ৮ মাস ধরে থেমে আছে। ওই স্মারকলিপতে আরো বলা হয়, বোর্ড চেয়ারম্যান বিএনপি-জামাত জোট সরকারের মন্ত্রীরডিও লেটার নিয়ে খুলনা সুন্দরবন কলেজ থেকে রাজশাহী কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগে বদলি হয়ে আসেন। এমন ব্যক্তি রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করায় অত্র অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষজন তার দ্বারা প্রতিনিয়ত অপমানিত-লাঞ্ছিত হচ্ছেন। যা বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করছে।

রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে সৎ-যোগ্য, কর্মঠ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীবান্ধব চেয়ারম্যান নিয়োগের দাবি জানানো হয় ঐ স্মারকলিপিতে।

Leave a Response