Saturday, October 24, 2020
সারাদেশ

রাজশাহীতে শাক-সবজির বাজার গরম

369views

রাজশাহীতে শাক-সবজির বাজার গরম

আব্দুর রহিম: রাজশাহীর বাজারে সব ধরণের শাক-সবজির দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় শুক্রবার বাজারে প্রতি কেজি শাকের দাম বেড়েছে প্রায় ৫ টাকা। গত সপ্তাহে এসব শাক প্রতি কেজি ২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। কিন্তু সপ্তাহের ব্যবধানে আবারো এসব শাক-সবজির দাম বাড়লো। বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি লাল শাক ২৫ টাকা, সবুজশাক ২৫ টাকা, পুঁইশাক ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, কলমি শাক ২০ টাকা ও কাটুয়া ডাটা ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, ভারি বর্ষণের কারণে জমিতে পানি জমে থেকে ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং ফলন একটু কম হচ্ছে। আবার দেশের বিভিন্ন জায়গায় রাজশাহীর কাঁচা শাক-সবজি রপ্তানি করার কারণে বাজারে সবজির দাম বেশি।

গত সপ্তাহে প্রতি কেজি আলু ২০-২২ টাকা বিক্রি হলেও গতকাল ২৫ টাকা, ঢেঁড়স গত সপ্তাহে ২০ টাকা বর্তমানে ২৫-৩০ টাকা, পেঁপে ১৫ টাকা, করলা গত সপ্তাহে ২০ টাকা বর্তমান ৩০ টাকা, পটল গত সপ্তাহে ২৫-৩০ টাকা বর্তমান ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা গত সপ্তাহে ২৫-৩০ টাক বর্তমান ৪০ টাকা, বেগুন গত সপ্তাহে ৩০ টাকা বর্তমান ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২৫ টাকা, শসা গত সপ্তাহে ৩০ টাকা বর্তমানে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, প্রতি পিস চাল কুমড়া ২০ টাকা ও লাউ ২৫-৩০ টাকা, বরবটি গত সপ্তাহে ৩০ টাক বর্তমানে ৪০ টাকা, মুলা ৪০ থেকে ৫০টাকা, ধনিয়াপাতা ২০০ টাকা, ওল প্রতিকেজি ২০টাকা, কাঁকরোল প্রতিকেজি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

দেশি পেঁয়াজ ৫০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ২৫ টাকা, আদা ১০০ টাকা , রসুন ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও কাঁচা মরিচের দাম ২/৩ দিনের ব্যবধানে দ্বিগুন বা তারও বেশি হয়ে গেছে। দুদিন আগেই কাঁচা মরিচ ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে অথচ গতকাল প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ১শ টাকায়। তেলের বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ৯৫-১০৫ টাকা, বোতলজাত সরিষা তেল ১৪৫-১৫০ টাকা ও খোলা বাজারে সয়াবিন ৮০-৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও প্রতি কেজি মশুর ডাল ৬০-৯০ টাকা, মুগডাল ৮০-১২০ টাকা, কালাই ডাল ৮০ টাকা, বুটের ডাল ৮০ টাকা, মটর ডাল ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাংসের দাম স্থিতিশীল থেকে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৪৫০ টাকা, খাঁসি ৭০০ টাকা, ব্রয়লার ১২০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৬০ টাকা, সোনালী ১৯০-২১০ টাকা ও পাতিহাস ২৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে প্রকার ভেদে সিলভার ৮০-১৪০ টাকা, পাঙ্গাশ ৮০-১২০ টাকা, চিংড়ি ও গলদা চিংড়ি ৮০০-১০০০ টাকা, বাটা ১২০-১৪০ টাকা, বড় শোল ৯০০ টাকা এবং ছোট শোল ২০০-৬০০ টাকা, ট্যাংরা ও পাবদা ৪০০-৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও রুই মাছ রকমভেদে ১৬০-৩৫০ টাকা, শিং ৫০০-৮০০ টাকা ও ইলিশ ৬০০ টাকা কেজি দামে বিক্রি হচ্ছে।

চালের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মিনিকেট ৫০-৫৫ টাকা, আটাশ ৪২-৪৫ টাকা, জিরাশাল ৫০ টাকা, বাসমতি ৬৫-৭০ টাকা, পায়জাম ৪৫-৫০ টাকা, নাজিরশাল ৬০-৬৫ টাকা, কাটারিভোগ ৭৫-৮০ টাকা, স্বর্ণা ৪০ টাকা, গুটি স্বর্ণা ৩৮ টাকা, কালজিরা আতপ ৮০-৯০ টাকা, চিনিগুড়া আতপ ৯০ টাকা ও পায়জাম আতপ ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

Leave a Response