Wednesday, October 28, 2020
রাজশাহীসারাদেশ

বিজিবি ১ ব্যাটালিয়নের ২২৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

300views

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১ ব্যাটালিয়নের ২২৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১ ব্যাটালিয়নের ২২৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। রোববার দুপুরে বিজিবি রাজশাহী ব্যাটালিয়ন সদরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং কর্মকান্ডের মাধ্যমে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক, রংপুর রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাহিদুল ইসলাম খান, বিএসপি, এনডিসি, পিএসসি। এছাড়াও রাজশাহীর রেঞ্জ এর অতিরিক্ত ডিআইজি নিশারুল আরিফ, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহসহ রাজশাহীর উর্ধ্বতন সামরিক এবং বেসামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল শামীম মাসুদ আল ইফতেখার, পিবিজিএম, পিএসসি অতিথিবৃন্দকে স্বাগত জানান। পরে অতিথিরা কেক কাটেন।
বিজিবি জানায়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক এবং বাহক ১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন ১৭৯৫ সালে ২৯ জুন পার্বত্য চট্টগ্রামের রামগড়ে ‘‘রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়ন’’ নামে পথ চলা আরম্ভ করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই ব্যাটালিয়নের সদস্যবৃন্দ অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে আসছে। ব্রিটিশ সরকারের অধীনে ১৮৭১ সালে লুসাই অভিযানে এই ব্যাটালিয়নের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং গৌরবময় ছিল। পূর্ব পাকিস্তান সরকারে অধীনে ১৯৫৮ সালে লক্ষীপুর অভিযান, ১৯৬২ সালে আসালং সংঘর্ষে এ ব্যাটালিয়নের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং গৌরবময় ছিল। লক্ষীপুর অভিযানে অংশগ্রহণকারী তৎকালীন ইপিআর এর ১নং উইং অধিনায়ক মেজর তোফায়েল মাহমুদ এবং জমাদার মোঃ আজম ৭ আগস্ট ১৯৫৮ সালে প্রতিবেশী দেশ কর্তৃক দখলকৃত স্থান পুনঃরুদ্ধারের জন্য এই ব্যাটালিয়নের সৈনিকদের নিয়ে বীর বিক্রমে ঝাঁপিয়ে পড়েন। হতাহতের পর শত্রু সেনাদের তাড়িয়ে দেন এবং শত্রু অধিনায়ককে বন্দী করেন। উক্ত অভিযানে জাতীয় বীরের স্বীকৃতি স্বরূপ মেজর তোফায়েল মাহমুদকে “নিশান-ই-হায়দার” (মরণোত্তর) এবং জমাদার মোঃ আজমকে “সিতারা-ই-জুরাত” (মরণোত্তর) এবং আরও কয়েকজন সৈনিককে বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই ব্যাটালিয়নের ২০ জন বীর সৈনিক শাহাদৎ বরণ করেন। তাঁদের মধ্যে হাবিলদার জুম্মা মিয়া ও সিপাহী আবুল বাসার বীর বিক্রম (মরণোত্তর) এবং সিপাহী মোঃ শরিফ বীর প্রতীক (মরণোত্তর) খেতাবে ভূষিত হন।

Leave a Response