Saturday, October 24, 2020
সারাদেশ

বাগমারায় পাঁচ লাখ টাকার মাছ লুটের অভিযোগ

230views

বাগমারায় পাঁচ লাখ টাকার মাছ লুটের অভিযোগ

বাগমারা প্রতিনিধি: বাগমারায় দ্বিতীয় অংশীদারকে বাদ দিয়ে প্রতারনার মাধ্যমে ৫ লাখ টাকার মাছ আত্মসাত করার অভিযোগ উঠেছে প্রথম অংশীদার উজ্জল হোসেন রনির বিরুদ্ধে। তিনি পুলিশের সহযেগীতায় পুকুরে জাল নামিয়ে জোরপূর্বক মাছ লুট করেন বলে দ্বিতীয় অংশীদার আবুল কালাম ও এলাকার লোকজন অভিযোগ করেন। বাগমারা উপজেলার ঝিকরা ইউনিয়নের তেগাছী সেনোপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশের ভয়ে কোথাও আইনী ব্যবস্থা নিতে পারছেনা দ্বিতীয় অংশীদার আবুল কালাম।

জানা যায়, উপজেলার ঝিকরা ইউনিয়নের তেগাছী সেনোপাড়া গ্রামের প্রথম অংশীদার উজ্জল হোসেন রনি একই ইউনিয়নের পিরুলী সেনোপাড়া গ্রামের আবুল কালামের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দীর্ঘদিন থেকে মাছ চাষ করে আসছিল। মাছ চাষের ফাঁকে ব্যবসায়ীক বিষয় নিয়ে উজ্জল হোসেন রনির সাথে অন্য অংশীদার আবুল কালামের দ্ব›দ্ব হয়। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার মিমাংসার চেষ্টা করে। আবুল কালাম মিমাংসায় আসলেও উজ্জল হোসেন মিমাংসা থেকে দূরে থাকে। মিমাংসার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে অনিহার সৃষ্টি হয়। সুযোগ বুঝে প্রথম অংশীদার উজ্জল হোসেন থানা পুলিশকে মেনেজ করে জোরপূর্বক পুকুরে জাল নামিয়ে ৫ লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায়। মাছ মারার সময় আবুল কালামসহ এলাকার লোকজন বাঁধা দিলে পুলিশ তাদেরকে গালমন্দ ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়। পুলিশের এমন ভুমিকা দেখে এলাকার লোকজন ভিত হয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকার লোকজন জানান, মাছ মারার পর থানা পুলিশও পুকুর থেকে কিছু মাছ নিয়ে চলে যায়। পুলিশের অহেতুক আচরনের কারনে এলাকার লোকজন পুকুর পাড়ে আসতে পারেনি বলে আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন। তিনি পুলিশের অহেতুক আচরনের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করবেন বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকেই আবুল কালাম আতংকের মধ্যে রয়েছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। প্রথম অংশীদার উজ্জল হোসেন রনি তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এক সময় আবুল কালাম আমার ব্যবসায়ীক অংশীদার ছিল। বর্তমানে তার সাথে আমার কোন ব্যবসায়ীক সর্ম্পক নেই।

এ ব্যাপারে ঘটনাস্থলে যাওয়া বাগমারা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আতাউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আপনারা বড় বাবু (ওসি)’র সাথে কথা বলেন। আমার সাথে কথা বলে কোন লাভ হবেনা বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন। বিষয়টি নিয়ে বাগমারা থানার ওসি নাছিম আহম্মেদের সাথে একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তিনি ব্যস্ত দেখিয়ে কথা বলতে রাজী হননি।

Leave a Response