Saturday, October 24, 2020
টপ নিউজরাজনীতি

নির্বাচনের ৪৮ ঘন্টা পূর্বে সেনা মোতায়েন করতে হবে :বুলবুল

223views

নির্বাচনের ৪৮ ঘন্টা পূর্বে সেনা মোতায়েন করতে হবে :বুলবুল

নির্বাচনের ৪৮ঘন্টা পূর্বে সেনা মোতায়েন করতে হবে-বুলবুলনিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ৪৮ ঘন্টার মধ্যে রাজশাহীতে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বিএনপি অফিসে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ দাবি করেন। তিনি দাবি করেন নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে রাজশাহীতে সেনাবাহিনী মোতায়েন জরুরী। তাই আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তিনি সেনা মোতায়েনের দাবি করেন। এছাড়াও মামলা ছাড়াই বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, নির্বাচনী আচরণিবিধি লঙ্ঘন করে কাউকে গ্রেফতার করা যাবেনা। কিন্তু আওয়ামী লীগ প্রার্থীর যোগসাজসে পুলিশ গণগ্রেফতার অব্যাহত রেখেছে। এ পর্যন্ত আমাদের প্রায় ১৫০ জন নেতা-কর্মীসহ পোলিং এজেন্টকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী ও তার দলের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভঙ্গের নানা অভিযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ডে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দ্বারা বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর, প্রচার মাইকে বাধা ও কর্মীদেরকে মারধর করছে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা। এ সময় নির্বাচন কমিশনের কাছে কয়েকটি আবেদন জানান মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।

তিনি বলেন পুলিশ মামলা না থাকার পরও এ পর্যন্ত ১৫০ জন নেতা কর্মী এবং পোলিং এজেন্টকে গ্রেফতার করেছে। বর্তমান সময়ে ইতিহাসের জঘন্যতম ঘটনা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র, মানুষের মৌলিক অধিকার লংঘন করে পুলিশ এবং নৌকা প্রতীকের নেতাকর্মীরা যৌথ উদ্যোগে বেছে বেছে আমাদের পোলিং এজেন্ট এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়কদেরকে গ্রেফতার করে পাবনা জেলা, নাটোর জেলা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার অধীন বিভিন্ন রকমের মামলার আসামী করে কোর্টে চালান করছে এবং রাজশাহী জেলা পুলিশের অধীনে গোদাগাড়ী উপজেলা এবং পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে।

এছাড়াও আমাদের নেতা কর্মীদেরকে মিথ্যাভাবে জে,এম,বি ও জামায়াত-শিবিরের সাথে এমনকি রাষ্ট্রদ্রোহি পেন্ডিং মামলাতেও জড়ানো হয়েছে। এ ঘটনা অত্যন্ত মানবাধিকার লঙ্ঘন, আইনের শাসন লঙ্ঘন, ব্যক্তি স্বাধীনতার হস্তক্ষেপ। এ সকল ঘটনায় প্রমাণিত হয় বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুুক্তি, ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের জান-মালের নিরাপত্তা দেয়া এবং ভোটকেন্দ্র রক্ষা ও ভোট ডাকাতি বন্ধ করতে হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু ও অধ্যাপক শাহজাহান, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রিপন রায় চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন তপু প্রমুখ।

Leave a Response