Monday, October 26, 2020
রাজশাহী

নগরীতে সবজির বাজার চড়া

519views

নগরীতে সবজির বাজার চড়া

winter bazarনিজস্ব প্রতিবেদক: শীত আসার আগেই বাজারে আসতে শুরু করেছে শীত কালীন শাক-সবজি। আগাম সবজি আসার কারণে ক্রেতাদের মনও কাড়ছে। তবে মন টানলেও কিনতে হচ্ছে বেশি দামে। এই আগাম সবজি অনেকেই পছন্দ করছেন। কিন্তু দাম শুনেই অবাক হয়ে চলে যাচ্ছেন। পছন্দের তালিকায় থাকার পরও দাম বেশি হওয়ায় বেশিরভাগ ক্রেতারা সবজি কিনতে পারছেন না। শুক্রবার সকালে নগরীর বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা যায়, কোরবানীর ঈদের পর শীতকালীন সবজি বাজারে উঠতে শুরু করেছে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় দাম বেশি হওয়ায় ক্রেতারা পড়ছেন বিপাকে। অন্যদিকে সময়ের আগেই নতুন সবজির স্বাদ নিতে বেশি দাম দিয়েই সবজি কিনছেন অনেক ক্রেতা।

বাজারে বর্তমানে শীতকালীন সবজি মূলা বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বাধাকপি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, শিম ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কচু ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে। এছাড়াও অন্যান্য সবজির মধ্যে মিস্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ২০ থেকে ২৫ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৩৫টাকা, পটল ৩০ টাকা, করলা ৩০টাকা, ঝিঁঙ্গা ৩০টাকা, পেঁপেঁ ১৫ টাকা ২০ টাকা, শসা ২০ টাকা, চাল কুমড়া প্রকার ভেদে প্রতি পিস ২০ থেকে ২৫ টাকা, ঢেড়স ১৫ থেকে ২০ টাকা, আলু প্রতিকেজি ২০ থেকে ২২ টাকা, চিচিঙ্গা ২০ টাকা ও লেবু বিক্রি হচ্ছে প্রতিহালি ১৫ টাকায়।

শাক ব্যবসায়ী সোহেল খান জানান, বর্তমানে বাজারে প্রতিকেজি লাল শাক বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা দরে, সবুজ শাক ১৫ থেকে ২০ টাকা, পুঁই শাক ১৫ থেকে ২০ টাকা। মাংস ব্যবসায়ী কাদের আলী জানান, বর্তমানে প্রতিকেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকায় এবং গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৪৮০ টাকায়। এছাড়া বয়লার মুরগি প্রতিকেজি ১২০টাকা, সোনালী ১৯০টাকা এবং দেশী মুরগী বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা দরে।

এদিকে চালের বাজার কিছুটা স্থিতিশিল রয়েছে। প্রকার ভেদে কিছু চালের দাম এক থেকে দু’টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। নগরীর এ পি চাল ভান্ডারের সত্ত্বাধিকারী অশোক প্রসাদ বলেন, মিনিকেট ৫৫-৬০টাকা, আটাশ ৪৫ থেকে ৫০টাকা, জিরাশাইল ৫০-৫৫ টাকা,বাসমতি ৭০টাকা, পাইজাম ৬০টাকা, নাজির শাইল ৬০-৬৫ টাকা, স্বর্ণা ৪০ টাকা, গুটি স্বর্ণা ৪০টাকা। এছাড়াও সকল ধরনের পোলাও চাল কালজিরা আতব ৮০ থেকে ৯০টাকা, চিনিগুড়া আতব ৯০ টাকা, পাইজাম আতব ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

Leave a Response