Monday, October 19, 2020
রাজশাহী

নগরীতে ঈদে পোষাকের দোকানে ক্রেতা নেই | রাজশাহী সংবাদ

276views

রাজশাহী মহানগরীর পোষাকের দোকানে ক্রেতা নেই

কামরুল ইসলাম: রাজশাহী মহানগরীর পোষাকের দোকানে নেই ক্রেতা। কোরবানীর পশু কেনার নিয়েই ব্যস্ত থাকার কারণে মুলত এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিটি পোষাকের দোকানদার একেবারে অবসর সময় পার করছেন। কোরবানী ঈদের আর মাত্র ৩দিন বাকি থাকলেও পোষাকের দোকানে তেমন বেচা-বিক্রি নেই। সাধারণ দিনের মতোই পোষাক বিক্রি হচ্ছে বস্ত্রবিতানগুলোতে। তবে পোষাকের দোকানে বড়দের পোষাকের চেয়ে বাচ্চাদের পোষাক বিক্রি হচ্ছে বেশি। বাচ্চাদের পোষাকের মধ্যে গেঞ্জি সেটের চাহিদা লক্ষ্যণীয়।

রাজশাহী মহানগরীতে ঈদে পোষাকের দোকানে ক্রেতা নেই-রাজশাহী সংবাদছোটদের গেঞ্জি সেট ৫০০ থেকে শুরু করে ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও বিক্রি হচ্ছে শার্টের সেট ও ফতুয়া। এবার ঈদে মেয়েদের জন্য বাজারে এসেছে ডাবল পাটের থ্রি-পিচ। এসব থ্রি-পিচ মান ভেদে এক হাজার থেকে শুরু করে তিন হাজার টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও মেয়েদের জন্য রয়েছে কোটি বোরখা। সেগুলো আটশত টাকা থেকে শুরু করে দুই হাজার টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে এসবের পাশাপশি প্রিন্টের থ্রি-পিচ ও বিক্রি হতে দেখা যায়। শাড়ির মধ্যে কাতান, জর্জেট, প্রিন্টের শাড়ি এবং হাতের কাজ করা শাড়িও অল্প পরিসরে বিক্রি হচ্ছে। ছেলেদের আকর্ষন প্রিন্টের পোষাকের প্রতি। এছাড়াও গেঞ্জি ও প্যান্টের ক্রেতা বেশি। গেঞ্জি ২০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায়, টিশার্ট ৩৫০-৫০০ টাকায়। প্যান্ট গুনগত মান আনুসারে ৫০০-১৮০০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে পাঞ্জাবীর বাজারে ক্রেতার সমাগম বেশী দেখা যাচ্ছে। আরডিএ মার্কেটের তৃতীয় তলায় নূর গার্মেন্টসে প্রিন্টের পাঞ্জাবী প্রতিটি ৬৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০০ পর্যন্ত, কোটি ৭০০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে।

নগরীর আরডিএ মার্কেটের বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঈদুল ফিতরে ক্রেতা যেমন হয়, সেই তুলনায় কোরবানী ঈদে পোষাক বিক্রি তুলনা মুলক অনেক কম হয়। ছাত্র-ছাত্রীরা রাজশাহী শহর ছেড়ে চলে যাওয়ায় বেচাবিক্রি কমে গেছে। তবে ঈদের সামনের দিনগুলোতে একটু বেশি বিক্রি হবে বলে মনে করছেন তিনি। কারণ রাজশাহীর বাইরে যারা চাকুরী করেন তার এখনো রাজশাহীতে আসতে পারেননি। তারা আসলে বাজারে বিক্রির হার একটু বাড়বে। এছাড়াও কোরবানীর পশু কেনা নিয়ে ব্যস্ত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Leave a Response