Monday, October 26, 2020
অন্যান্য

তুরস্কে আবার এরদোয়নের জয়

316views

তুরস্কে আবার এরদোয়নের জয়

রাজশাহী সংবাদ ডেস্ক: দেড় দশকের শাসনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়া নির্বাচনে জয় পেয়েছেন তুরস্কের ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট রিজেপ তায়িপ এরদোয়ান। রোববারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ৯৭ শতাংশ ভোট গণনার পর এরদোয়ান নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তুরস্কের নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান সাদি গুভেন, খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
তুরস্কের গণমাধ্যমে প্রকাশিত ফলাফলেও এরদোয়ানের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন দল ইসলামপন্থি একে পার্টি ও এর জোট মিত্ররা পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ৯৯ শতাংশ ভোট গণনার পর এরদোয়ান ৫২ দশমিক ৫০ শতাংশ ভোট পেয়ে তার প্রতিদ্ব›দ্বী ধর্মনিরপেক্ষ রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) প্রার্থী মুহাররেম ইনসের ৩১ শতাংশের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছেন বলে জানায় তারা।

তুরস্কের প্রধান বিরোধীদল সিএইচপি তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচনে হারার কথা স্বীকার করেনি। শুধু বলেছে, ‘ফলাফল যাই হোক’ তারা তাদের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম চালিয়ে যাবে। এর আগে তারা বলেছিল, নির্বাচনের প্রথম রাউন্ডেই জয় পাবেন না এরদোয়ান।
স্থানীয় সময় ভোররাত ৩টার কিছুক্ষণ পরে ক্ষমতাসীন একে পার্টির সদরদপ্তরের বারান্দা থেকে পতাকা দুলিয়ে জয় উদযাপনরত সমর্থকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে এরদোয়ান বলেন, “আগামীকাল থেকে শুরু করছি, আমাদের জনগণকে যে প্রতিশ্রæতি দিয়েছি তা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করবো আমরা।”

তুরস্কের কর্তৃপক্ষ আরও দৃঢ়সংকল্প নিয়ে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তুরস্কে অবস্থানরত ৩৫ লাখ সিরীয় শরণার্থী যেন নিরাপদে দেশে ফিরতে পারেন সেই লক্ষে তুরস্কের বাহিনী ‘সিরিয়ার ভ‚মি মুক্ত করা’ অব্যাহত রাখবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি। ৬৪ বছর বয়সী এরদোয়ান আধুনিক তুরস্কের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ। শহুরে তরুণদের মধ্যে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। নির্বাচনে এই জয়ের মাধ্যমে আরও পাঁচ বছর তুরস্ক শাসন করার সুযোগ পাবেন তিনি। তুরস্কের নতুন সংবিধান অনুসারে তিনি ২০২৩ সালের পর ফের নির্বাচনে প্রতিদ্বদ্বিতার সুযোগ পাবেন, তখন জয়ী হলে ২০২৮ পর্যন্ত তিনিই তুরস্কের প্রেসিডেন্ট থাকবেন। গত বছর হওয়া গণভোটের ধারাবাহিকতায় এবারের নির্বাচনে জিতলে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা আরও বাড়ানোর প্রতিশ্রতি দিয়ে রেখেছেন এরদোয়ান; এতে নেটো সদস্যভুক্ত দেশটির গণতন্ত্র খর্ব হয়ে একে একনায়কতন্ত্রের দিকে নিয়ে যাবে বলে শঙ্কা সমালোচকদের।

Leave a Response