Wednesday, October 21, 2020
টপ নিউজরাজশাহী

ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে আমের বাজার : জনদুর্ভোগ

225views

ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে আমের বাজার : জনদুর্ভোগ

পুঠিয়া প্রতিনিধি: রাজশাহী জেলার সর্ববৃহৎ আমের বাজার পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর হাট। আমের নির্দিষ্ট কোনো বাজার না থাকায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের দু’পাশের বেশীর ভাগ রাস্তার উপর চলে আম বেচাকেনা। প্রতিদিন সকাল থেকে শুরু হয়ে চলে মধ্যে রাত পর্যন্ত। যার ফলে সার্বক্ষনিক প্রায় এক কিলোমিটার মহাসড়ক জুড়ে ভয়াবহ যানজট লেগে থাকে। ব্যবসায়ী ও পথচারীদের অভিযোগ স্থানীয় প্রশাসন ও বাজার কমিটি লোকজনদের গাফলতির কারণে আমের মৌসুম আসলেই মহাসড়কে জনদুর্ভোগ দেখা দেয়।
রোববার দুপুরে বানেশ্বর আম বাজার ঘুরে দেখা গেছে, হাট ইজারাদার ট্রাফিক মোড় হতে পুরোনো কলা হাট পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের উপর বসিয়েছে আমের বাজার। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বেচা-কেনা চলে মধ্যেরাত পর্যন্ত। সড়কের উপর আম বেচাকেনা হওয়ায় রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা ও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে রাজশাহীতে আগত দুরপাল্লার যাত্রী পরিবহন, মালবাহী পরিবহন, এ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস ও সাধারন পথচারীদের আমের বাজার পার হতে ঘন্টার পর ঘন্টা অবরোধের মূখে পড়ছে।

আম বিক্রেতারা বলেন, হাট কমিটির লোকজনের নির্দেশে মহাসড়কের পাশে আম বেচাকেনা করতে হয়। এতে অনেক সময় আম ক্রেতা-বিক্রেতাদের সাথে বিভিন্ন যানবাহন স্টাফদের সাথে বাক বিতর্ক লেগেই থাকে। তারা আরো বলেন, মহাসড়কের যানজট নিরসন না করে প্রতিদিন পুলিশ-প্রশাসনের লোকজন বানেশ্বর বাজারে আম নিয়ে আসা বিভিন্ন নসিমন, করিমন চালকদের নিকট থেকে চাঁদা নিতে ব্যস্ত সময় পার করে। বানেশ্বর বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি আজিজুল বারী মুক্তা বলেন, মুলত আমের বাজার ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মাঠে বসার কথা। কিন্তু আম আমদানীর তুলোনায় জায়গা অনেক অল্প হওয়ায় ক্রেতা-বিক্রেতারা মহাসড়কের উপর আসছেন। এতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের যেমন সমস্যা তেমনই বিভিন্ন যানবাহন ও পথচারীরা পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে। বিষয়টি স্থানীয় ব্যবসায়ীরা হাট ইজারদার ও উপজেলা প্রশাসনকে দফায় দফায় অবহিত করা হলেও কোনো সুফল আসছে না। তবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিল উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, মহাসড়কে যানজোট নিরসনে প্রতিদিন থানার ৪জন পুলিশ সদস্য সার্বক্ষনিক কাজ করছে। যানজোট নিরসনে লোকবল বাড়াতে জেলা প্রশাসক ও আমার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বার বার বলার পরও কোনো কাজ হচ্ছে না। তাছাড়া হাট ইজারদার বে-সরকারী আনসার ও গ্রাম পুলিশের সহয়তা বাড়ালে অনেকাংশে যানজোট নিরসনে সহায়ক হতো। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লা আল মাহামুদ বলেন, মহাসড়ক যানজট মুক্ত রাখতে সার্বক্ষনিক একটি টিম কাজ করছে।

Leave a Response