Wednesday, October 28, 2020
টপ নিউজরাজশাহী

আজ বদলে যাবে নগরী চেহারা

252views

আজ বদলে যাবে নগরী চেহারা

হাবিব আহমেদ: আজ থেকে শুরু হচ্ছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের নির্বাচন কমিশন থেকে প্রতিক বরাদ্দ দেয়া হবে। এবার রাসিক নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত ৫জন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এবারই প্রথম দলীয় প্রতিকে রাসিক নির্বাচন হতে যাচ্ছে। ৫জন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে বড় দু’দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়র প্রার্থীরা নির্ধারিত প্রতিক নৌকা ও ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করবেন। তবে আজ প্রতিক বরাদ্দের সাথে সাথে বদলে যাবে রাজশাহী মহানগরী চিত্র। গত ২০জুনের আগে পোস্টারের নগরী ছিল রাজশাহী। নির্বাচন কমিশনের নিদের্শক্রমে সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের পোস্টার ব্যানার সরিয়ে ফেলা হয়। কিন্তু আজ প্রতিক বরাদ্দের সাথে মেয়র কাউন্সিলর প্রার্থীদের পোস্টারে ছেয়ে যাবে নগরী।

এবার রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে ভোটের মাঠে লড়বেন ২১৭ প্রার্থী। এর মধ্যে মেয়র পদে ৫জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৬০ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর রয়েছে ৫২ জন। সোমবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন কর্মকর্তারা। আজ মঙ্গলবার প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ করা হবে বলে জানান নির্বাচন কর্মকর্তা। জানা গেছে, কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতিক বরাদ্দ না হওয়ার তারা এখনো পোষ্টার ব্যাপার ছাপায়নি। কিন্তু রাসিক নির্বাচনে বড় দুই দল আওয়ামী লীগ বিএনপির দুই মেয়র প্রার্থী নির্ধারিত প্রতিক হওয়ায় তারা আগে থেকেই নির্বাচনী পোষ্টার ব্যানার তৈরি করে রেখেছেন। নির্বাচন কমিশন থেকে ঘোষণা দেয়ার সাথে সাথে শুরু হবে প্রচারপত্র, পোষ্টার, ব্যানার টাঙ্গানোর কাজ। তবে প্রতীক বরাদ্দ না পাওয়ায় প্রচারপত্র ছাপানোর কাজে নামতে পারেননি স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

এদিকে রাসিক নির্বাচনকে সামনে রেখে গত দুদিন থেকে চলছে প্রার্থীদের অফিস ও রাস্তার পাশে আয়ারল্যান্ডে বাঁশের খুটি পোতা কাজ। প্রার্থীদের সমর্থকরা দিন রাত এসব কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ইতিমধ্যে নগরীর বেশ কিছু এলাকায় পোষ্টার ব্যানার টাঙ্গানোর জন্য বাঁশ পুতে স্থান নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে। প্রতিক বরাদ্দের পর এসব স্থানে টাঙ্গানো হবে ব্যানার ও পোস্টার। এছাড়াও দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার মারা নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও বেশ কিছু এলাকার দেয়ালে লিখে রাখা হয়েছে ‘বুকিং’। একই সাথে কিছু এলাকায় আগে থেকেই ঝুলছে প্রার্থীদের পোষ্টার টাঙ্গানো দড়ি।

সিটি নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার আতিয়ার রহমান বলেন, আইনে স্পষ্ট বলা আছে প্রতীক বরাদ্দের আগে কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণা করা যাবে না। কাজেই প্রতীক বরাদ্দের আগে কোনো প্রার্থীই প্রচারপত্র প্রকাশ করেন না। তবে, প্রার্থীরা প্রচারপত্র ছাপাতে পারবেন কি-না আইনে স্পষ্ট করে বলা নেই উল্লেখ করে এই নির্বাচন কর্মকর্তা বলেন, রাজনীতিক দলের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মনোয়ন দেয় দল। তাদের প্রতীকও নির্দিষ্ট। কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মুরাদ মোরশেদ বলেন, দলীয় প্রতিক পাওয়া রাজনীতিক দলের প্রার্থীরা এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আছেন। আইনের অস্পষ্টতার কারণে সুযোগ নিচ্ছেন তারা। এটি নিঃসন্দেহে বৈষম্য। এতে নির্বাচনের লেবেল প্লেইং ফিল্ড ব্যহত হবে।

Leave a Response